রাষ্ট্র সংস্কার ও সাধারণ জিজ্ঞাসা
নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা কেমন হবে?
+
জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী, সংসদ ভেঙে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে একটি নির্দলীয় ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ গঠিত হবে। তাদের মেয়াদ হবে অনধিক ৯০ দিন এবং প্রধান কাজ হবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা।
সূত্র: সনদ দফা ১৬(১) ও ১৬(১৯)
দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ কী এবং কেন?
+
জাতীয় সংসদ দুটি ভাগে বিভক্ত হবে: নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং উচ্চকক্ষ (সিনেট)। নিম্নকক্ষে সাধারণ নির্বাচন হবে এবং উচ্চকক্ষে ১০০ জন সদস্য সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচিত হবেন। এটি আইন প্রণয়নে ভারসাম্য আনবে।
সূত্র: সনদ দফা ১৭ ও ১৮
বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় কী পরিবর্তন আসছে?
+
বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করা হবে। বিচারক নিয়োগের জন্য একটি স্বাধীন ‘বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কমিশন’ গঠন করা হবে এবং বিচারকদের চাকরির নিয়ন্ত্রণ সুপ্রীম কোর্টের হাতে ন্যস্ত থাকবে।
সূত্র: সনদ দফা ৩১, ৩৩ ও ৩৬
প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মেয়াদ কতদিন?
+
একজন ব্যক্তি পরপর বা বিরতি দিয়ে যতবারই হোক, সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে বা মোট ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। তিনি একইসাথে দলীয় প্রধান হতে পারবেন না।
সূত্র: সনদ দফা ১৪ ও ১৫
সংসদে বিরোধী দলের অধিকার ও ক্ষমতা
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের বিধান কী?
+
সংসদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ডেপুটি স্পিকার অবশ্যই বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত হবেন। তিনি সরকারি দলের হতে পারবেন না।
সূত্র: সনদ দফা ২৩
সাংবিধানিক নিয়োগে বিরোধী দলের ভূমিকা কী?
+
নির্বাচন কমিশন, পিএসসি, দুদক বা মহা হিসাব-নিরীক্ষক নিয়োগের জন্য গঠিত 'বাছাই কমিটিতে' বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় উপনেতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দলের প্রতিনিধি থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সূত্র: সনদ দফা ৩৮, ৪০, ৪১ ও ৪২
সংসদীয় কমিটিগুলোতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ কেমন হবে?
+
সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকারি হিসাব কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হবেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা।
সূত্র: সনদ দফা ২৪
জরুরি অবস্থা জারিতে বিরোধী দলের সম্মতি লাগবে কি?
+
হ্যাঁ, জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা (অথবা তার অনুপস্থিতিতে উপনেতা)-র উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সরকার একতরফা জরুরি অবস্থা জারি করতে পারবে না।
সূত্র: সনদ দফা ৬(২)